ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুক হামলা, নিহত ৩
ফিলিপাইনের দক্ষিণ কোতাবাতোর একটি স্কুলে বন্দুক হামলায় অন্তত তিন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৬ বছর বয়সী হামলাকারীও রয়েছে। এ ঘটনায় আরও আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বানগা ন্যাশনাল হাইস্কুলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১টার দিকে স্কুলে গুলির খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে যায়। নিহত ও আহতদের বয়স ১৪ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে।
বানগা শহরের মেয়র আলবার্ট পালেনসিয়া রয়টার্সকে জানান, হামলাকারী গুলি চালানোর আগে বন্ধুদের বলেছিল, দুপুরের খাবারের পর সে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। তবে বন্ধুরা তার কথাকে গুরুত্ব দেয়নি।
‘বানগা শহরের মেয়র আলবার্ট পালেনসিয়া রয়টার্সকে জানান, হামলাকারী গুলি চালানোর আগে বন্ধুদের বলেছিল, দুপুরের খাবারের পর সে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মেয়র জানান, দুপুরের খাবারের পর ওই শিক্ষার্থী হঠাৎ গুলি চালাতে শুরু করে। এতে ১০ জন গুলিবিদ্ধ হন। পরে হামলাকারী নিজেও আত্মহত্যা করে।
আরও পড়ুন
এনডিটিভির সাংবাদিক থেকে ওমর আব্দুল্লার স্ত্রী, কে এই নিধি?
দক্ষিণ কোতাবাতোর গভর্নর রেইনালদো তামায়ো জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
মূল বিষয়গুলি
- ফিলিপাইনের দক্ষিণ কোতাবাতোর একটি স্কুলে বন্দুক হামলায় অন্তত তিন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
- শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বানগা ন্যাশনাল হাইস্কুলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
- বানগা শহরের মেয়র আলবার্ট পালেনসিয়া রয়টার্সকে জানান, হামলাকারী গুলি চালানোর আগে বন্ধুদের বলেছিল, দুপুরের খাবারের পর সে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।
- মেয়র জানান, দুপুরের খাবারের পর ওই শিক্ষার্থী হঠাৎ গুলি চালাতে শুরু করে।
চলতি বছরের জুনের পর ফিলিপাইনের কোনো স্কুলে এটি তৃতীয় প্রাণঘাতী বন্দুক হামলার ঘটনা। এর আগে আগস্টে জাম্বোয়াঙ্গায় এক শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে আরেক শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করে।
জুনে টাকলোবান শহরের একটি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে দুই সহপাঠীর গুলিতে তিন শিক্ষার্থী নিহত এবং প্রায় ২০ জন আহত হয়।
পরপর এসব হামলার পর চলতি মাসের শুরুতে স্কুলগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে দেশজুড়ে বিশেষ মহড়া চালানো হয়।
দক্ষিণ কোতাবাতোর গভর্নর অভিভাবকদের প্রতি শিশু-কিশোরদের নাগালের বাইরে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।