বাংলাদেশের বিপক্ষে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন স্মৃতি
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যাট করতে নেমেই বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ভারতের সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা। নারী টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এখন তিনি।
রোববার কোরোগি স্পোর্টস পার্কে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ভারতের ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ৮ রান করার পর মাইলফলকটি স্পর্শ করেন মান্ধানা। এর মধ্য দিয়ে নিউজিল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার সুজি বেটসকে ছাড়িয়ে যান তিনি।
এর আগে চলতি মাসেই নারী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের রেকর্ডও নিজের করে নেন ৩০ বছর বয়সী মান্ধানা। এশিয়া কাপের ম্যাচে হংকংয়ের বিপক্ষে ১২৪ রানের ইনিংস খেলে মিতালি রাজের ১০ হাজার ৮৬৮ রানের রেকর্ড পেছনে ফেলেন তিনি।
‘আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি চলতি বছর একাধিক রেকর্ড গড়ে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।’
— স্পোর্টস ডেস্ক
টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড গড়ার দিনে মান্ধানার ক্যারিয়ারেও যোগ হলো আরেকটি বড় অর্জন। সুজি বেটস ৪ হাজার ৭৫৮ রান নিয়ে এত দিন শীর্ষে ছিলেন। মান্ধানা সেই রান পেরিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছেন।
আরও পড়ুন
২ গোলে পিছিয়ে পড়েও জয়, ৯ ম্যাচের খরা কাটাল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
নারী টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় মান্ধানার পরেই রয়েছেন সুজি বেটস। শীর্ষ পাঁচে আরও আছেন ভারতের হরমনপ্রীত কৌর, শ্রীলঙ্কার চামারি আতাপাত্তু ও নিউজিল্যান্ডের সোফি ডিভাইন।
মূল বিষয়গুলি
- এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যাট করতে নেমেই বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ভারতের সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা।
- রোববার কোরোগি স্পোর্টস পার্কে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ভারতের ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ৮ রান করার পর মাইলফলকটি স্পর্শ করেন মান্ধানা।
- এর আগে চলতি মাসেই নারী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের রেকর্ডও নিজের করে নেন ৩০ বছর বয়সী মান্ধানা।
- টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড গড়ার দিনে মান্ধানার ক্যারিয়ারেও যোগ হলো আরেকটি বড় অর্জন।
এ ছাড়া ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ডও মান্ধানার দখলে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি চলতি বছর একাধিক রেকর্ড গড়ে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।