মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন
সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতা বাড়ানো, দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা এবং ক্রয়প্রক্রিয়াকে আরও আধুনিক করতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ কার্যকর রয়েছে।
জাতীয় সংসদ ৯ এপ্রিল আইনটির সংশোধনী বিল পাস করে। পরদিন রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর ১০ এপ্রিল এর গেজেট প্রকাশিত হয়। এর আগে ২০২৫ সালের ৪ মে জারি করা ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ’ থেকেই এসব সংস্কারের ভিত্তি তৈরি হয়।
সংশোধিত আইনে সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পাশাপাশি অর্থের সর্বোত্তম মূল্য, দক্ষতা, নৈতিকতা, গুণগতমান ও টেকসই ক্রয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
‘বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) তথ্য অনুযায়ী, সংশোধনীর উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজে ১০ শতাংশ কম-বেশি মূল্যসীমা প্রত্যাহার, সরকারি ক্রয়ে ই-জিপির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রে যৌথ উদ…’
— জি বাংলা ডেস্ক
বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) তথ্য অনুযায়ী, সংশোধনীর উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজে ১০ শতাংশ কম-বেশি মূল্যসীমা প্রত্যাহার, সরকারি ক্রয়ে ই-জিপির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রে যৌথ উদ্যোগের ক্ষেত্রে স্থানীয় অংশীদার অন্তর্ভুক্তির বিধান।
আরও পড়ুন
প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
এ ছাড়া টেকসই সরকারি ক্রয়, গুণগতমান ও দক্ষতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যেও বিভিন্ন বিধান যুক্ত হয়েছে।
মূল বিষয়গুলি
- সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতা বাড়ানো, দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা এবং ক্রয়প্রক্রিয়াকে আরও আধুনিক করতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ কার্যকর রয়ে…
- জাতীয় সংসদ ৯ এপ্রিল আইনটির সংশোধনী বিল পাস করে।
- সংশোধিত আইনে সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পাশাপাশি অর্থের সর্বোত্তম মূল্য, দক্ষতা, নৈতিকতা, গুণগতমান ও টেকসই ক্রয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) তথ্য অনুযায়ী, সংশোধনীর উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজে ১০ শতাংশ কম-বেশি মূল্যসীমা প্র…
বিপিপিএ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে সরকারি ক্রয়ে নতুন করে ম্যানুয়াল বা অফলাইন দরপত্রের অনুমোদন দেওয়া হবে না। ফলে ই-জিপির মাধ্যমে সরকারি ক্রয় কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি আরও জোরদার হয়েছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।