শাহজালালে বিমানের ফ্লাইট থেকে অর্ধশতাধিক স্বর্ণবার জব্দ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটে অভিযান চালিয়ে ৫০টি স্বর্ণবার জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুর থেকে আসা ফ্লাইটটিতে এ অভিযান চালানো হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ফ্লাইটটি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পূর্বপ্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিমানটি অবতরণের পরপরই তল্লাশি শুরু করেন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
‘স্বর্ণগুলো কারা সেখানে রেখেছিল, কার মাধ্যমে সেগুলো বিমানবন্দর থেকে বের করে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল এবং এর সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র জড়িত কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।’
— জি বাংলা ডেস্ক
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইটটিতে ১০০টির বেশি স্বর্ণবার থাকার সম্ভাবনা ছিল। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালানোর একপর্যায়ে উড়োজাহাজের টয়লেটের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৫০টি স্বর্ণবার শনাক্ত ও উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন
নবাগত রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে ফুলের শুভেচ্ছা জানালেন আরএমপি কমিশনার
উদ্ধার হওয়া প্রতিটি স্বর্ণবারের ওজন ১০ তোলা। সে হিসাবে ৫০টি বারের মোট ওজন ৫০০ তোলা বা প্রায় ৫ দশমিক ৮৩২ কেজি। এসব স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মূল বিষয়গুলি
- হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটে অভিযান চালিয়ে ৫০টি স্বর্ণবার জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
- সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুর থেকে আসা ফ্লাইটটিতে এ অভিযান চালানো হয়।
- কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ফ্লাইটটি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
- প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইটটিতে ১০০টির বেশি স্বর্ণবার থাকার সম্ভাবনা ছিল।
উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ কোনো যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে পাওয়া যায়নি। উড়োজাহাজের টয়লেটের ভেতরে লুকানো অবস্থায় এগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।
স্বর্ণগুলো কারা সেখানে রেখেছিল, কার মাধ্যমে সেগুলো বিমানবন্দর থেকে বের করে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল এবং এর সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র জড়িত কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
স্বর্ণ চোরাচালানের আরও বড় চালান শনাক্ত ও জব্দের পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে অধিদপ্তর।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।